শিরোনাম :
বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতির ৯ই মে ভূমি রেকর্ড জরিপ অধিদপ্তরে হল রুমে আজ বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির দেশে গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী সিলেটের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : রেল প্রতিমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষিমন্ত্রী ‘সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা’ আবীর–কামরুজ্জামান জুটিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ঝুঁকিতে কৃষি সরবরাহ ব্যবস্থা চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ চট্টগ্রামে ১৫০ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার ২ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী বিএনপিসহ চার সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পাহাড়ের ৩ জেলা পরিষদে তিন দশকেও নির্বাচন হয়নি

পাহাড়ের ৩ জেলা পরিষদে তিন দশকেও নির্বাচন হয়নি

মোঃ নাজমুল হুদা, বান্দরবানঃ তিন পার্বত্য জেলার জেলা পরিষদে ৩৬ বছর ধরে নির্বাচন হয়নি! ১৯৮৯ সালে প্রথম ও শেষ নির্বাচন হয়েছিল, এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। অনির্বাচিত দলীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে পরিষদগুলো পরিচালিত হচ্ছে, যার ফলে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বেড়েছে।
দুর্নীতির মূল তিন খাত:
নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য
খাদ্যশস্য বরাদ্দে অনিয়ম
ভুয়া উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ লোপাট::
সাম্প্রতিক সময়ে দুদকের তদন্তে বেশ কয়েকজন সাবেক চেয়ারম্যান, সদস্য ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে, স্থানীয়রা বলছেন, নির্বাচন না হলে জবাবদিহি ফিরবে না।
বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ৩৬ বছর ধরে জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়নি। পরিষদগুলো পরিচালিত হচ্ছে অনির্বাচিত দলীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে।
স্থানীয়রা বলছেন, জবাবদিহির অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোতে গড়ে উঠেছে দুর্নীতির সংস্কৃতি। এর ফলে সুষম উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পাহাড়ের লাখো মানুষ।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে শুরু করেছে। দুদকের তদন্তে বেশ কয়েকজন সাবেক চেয়ারম্যান, সদস্য ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
:- ৮৯’তে প্রথম আর শেষ নির্বাচন!
১৯৮৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পার্বত্য তিন জেলার প্রথম ও শেষ জেলা পরিষদ নির্বাচন। এরপর ৩৬ বছর কেটে গেলেও আর কোনো নির্বাচন হয়নি।এই সময়ের মধ্যে সরকার দলীয়ভাবে গঠিত ‘অন্তর্বর্তী পরিষদ’ দিয়েই চলছে প্রশাসন। প্রতিবছর শত কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন হয়। কিন্তু অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে এই পরিষদগুলো নিয়ে জনঅসন্তোষ বাড়ছে।
:-ভোটে বাধা জেএসএস!
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পরিচালিত হয় বিশেষ আইন দ্বারা, যা দেশের ৬১ জেলা পরিষদ থেকে ভিন্ন।
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আইনে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ জেলা পরিষদের অধীন করা হয়েছে। চুক্তির আইনে ৫ বছর মেয়াদি জেলা পরিষদগুলোর নির্বাচনের কথা বলা আছে। এতে একজন চেয়ারম্যান ও ৩৩ জন সদস্য আনুপাতিকহারে নির্বাচিত হবেন। কিন্তু চুক্তির স্বাক্ষরকারী দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা নিয়ে আলাদা ভোটার তালিকা’ দাবি তুলে। এই সুযোগে বিগত সরকারগুলো কৌশলে নিজেদের দলীয় লোকদের দিয়ে বিভিন্ন আকারে ‘অন্তর্বর্তী পরিষদ’ গঠন করে আসছে।
:- দুর্নীতির মূল তিন খাত:
জেলা পরিষদে দুর্নীতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তিনটি ক্ষেত্রে—নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য, খাদ্যশস্য বরাদ্দে অনিয়ম এবং ভুয়া উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ লোপাট।
কর্মচারী নিয়োগে ঘুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বছরের পর বছর খাদ্যশস্য প্রকল্প কাগজে খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে তা জনগণের কাছে পৌঁছায় না।
দলীয় ঠিকাদাররা অস্তিত্বহীন প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন।
দুদকের অভিযানে বেরিয়ে এলো ‘থলের বিড়াল’
সম্প্রতি প্রথমবারের মতো রাঙামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, দুই প্রকৌশলী ও ঠিকাদারসহ নয়জনের বিরুদ্ধে চারটি মামলা হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরাকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে। বান্দরবানের চেয়ারম্যান ক্যশৈহল্লাসহ তিন জেলার আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালাম বলেন, অস্তিত্বহীন প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগে চারটি মামলা হয়েছে। তদন্ত শেষে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, মামলাগুলো আদালতে বিচারাধীন।
জনপ্রতিনিধির অভাবে একচেটিয়া প্রভাব
রাঙামাটি দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক বলেন,নির্বাচন না হওয়ায় পরিষদে একচেটিয়া প্রভাব তৈরি হয়েছে। জনগণের কাছে জবাবদিহি না থাকায় দুর্নীতির সুযোগ বেড়েছে।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম মুন্না বলেন, মনোনীত চেয়ারম্যান ও সদস্যরা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন। নির্বাচিত না হলে তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট দীননাথ তঞ্চঙ্গা বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই জেলা পরিষদে জবাবদিহি ফিরবে। বর্তমান কাঠামোয় তা সম্ভব নয়।
তিন পার্বত্য জেলার মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তারা বলেন,প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ভুলত্রুটি হওয়ার সুযোগ আছে। যাতে না হয়, আমরা সে বিষয়ে সতর্ক।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com